ভুঞাপুর বার্তা: পুলিশকে বিড়ালের ফোন!

Sunday, November 3, 2013

পুলিশকে বিড়ালের ফোন!

ডেস্ক রিপোর্ট: 
পুলিশ স্টেশনে হঠাৎ রিং বেজে উঠল। ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে একটা চাপা ফিস ফিস শব্দ। সঙ্গে সঙ্গে দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির পুলিশ। দরজায় কান পাততেই আবারো ফিস ফিস শব্দ।সুত্র ঢাকাটাইমস
কিন্তু ঠিক বুঝে ওঠতে পারছিলো না পুলিশ, আসলে হচ্ছেটা কী?
ব্রিটেনের আপৎকালীন নম্বর ৯৯৯ একটু আগে এই ঠিকানা থেকেই ফোনে এসেছে।ও পাশ থেকে অবশ্য কোনও কথা শুনতে পায়নি পুলিশ। এমনটা হতেই পারে। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি হয়তো কথা বলার অবস্থায় নেই। কিন্তু বাড়ির দরজায় বারবার টোকা দিয়েও ভিতর থেকে সাড়া মেলেনি।
প্রতিবেশিকে জিজ্ঞাসা করে পুলিশ জানতে পারে, বাড়ির মালিক জেমস ককসেজ তার বান্ধবী মনিকা ডে লা ক্রুজ দুজনেই অফিসে। ভিতরে কারও থাকার কথা নয়। অবশেষে দরজা ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
কিন্তু তন্ন-তন্ন করেও কাউকে খুঁজে পাওয়া গেলো না। এমনকি ঘরের মধ্যে কোনো সন্দেহজনক কিছু চোখেও পড়লো না পুলিশের। শেষে পুলিশ যখন সন্দিহান, আলমারির পিছন থেকে ভেসে এলমিয়াঁও বেরিয়ে এলেন বাড়ির তৃতীয় বাসিন্দা। প্রতিবেশি যার কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন।

জেমস মনিকার পোষ্য বিড়াল ব্রুস। সেই ব্রুসই ফোন করেছিলেন পুলিশকে।

 সংশয় আরও পরিষ্কার হলো জেমসের আবির্ভাবে। বাড়িতে ফিরে দেখেন সামনেই দাঁড়িয়ে পুলিশের গাড়ি।

জেমসের কথায় জানা যায়, শুরু থেকেই ল্যান্ডফোনের দিকে নজর ব্রুসের। ফোন বাজলেই ছুটে চলে আসে, ফোন ধরতে। বিশেষ করে ফোনের ছোট ছোট বোতামগুলোর প্রতি ভীষণ উৎসাহ। থাবা দিয়ে বোতাম টিপতে অদম্য ইচ্ছা। তেমন কিছুই হয়তো করেছিল, সন্দেহ জেমসের।

কিন্তু এই ভ্রান্তিবিলাসে মাথায় হাত জেমসের। ব্রুসের সৌজন্যে তার হাতে একটা লম্বা -চওড়া বিল।পুলিশ ওদের কাজ করেছে। কী করা যাবে। আপাতত আমার কয়েকশো পাউন্ড খসছেই।”- আদরের বিড়ালকাণ্ডে নাজেহাল জেমস বললেন।

No comments:

Post a Comment