আনোয়ার হোসেন টুটুল, মির্জাপুর:পাহাড়ি এলাকার পতিত জমিতে বিষ ও সার মুক্ত লাউ-কুমড়াসহ বিভিন্ন প্রকারের
সবজি চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আশরাফ সিকদার। এসব ভেজালমুক্ত সবজি বাজারে
ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা আশরাফের ক্ষেত
থেকে সবজি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া গ্রামের আশরাফ সিকদার ১৫০ শতাংশ জমির উপর সবজি আবাদ শুরু করেন। এতে রয়েছে দেশি লাউ, কুমড়া, মরিচ, পুইশাঁক, পালংক শাক, মিষ্টি কুমড়া, কাঁচা মরিচ, হলুদ, আদা, মুলা, গাজর, ভেণ্ডি, লাল শাক, ধনেপাতা, পুিদনা পাতা, মাস কালাই, ভুট্টা, শিম, উচ্ছে, চিচিংগা, কড়লা, খেসাড়ির ডালসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি। এসব সবজি পাইকাররা ক্ষেত থেকে নগদ টাকায় কিনে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন হাটবাজার এবং ঢাকার বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যাচ্ছে। ক্ষেত থেকে প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। সবজি আবাদ এখন তার নেশায় পরিণত হয়েছে। সারাদিন সবজি ক্ষেতে কাজ করছেন।
সবজি ক্ষেতের পাশেই ২০ শতাংশ জমিতে কেটেছেন একটি পুকুর। নিজ বাড়ির গরুর গোবর দিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে জৈব সার তৈরি করে ক্ষেতে প্রয়োগ করেন। ফলে সার ও বিষ প্রয়োগ ছাড়াই আবাদ হচ্ছে সবজির। সবজি চাষী আশরাফ সিকদার জানান, অর্থের অভাবে চাষাবাদ করতে পারছেন না। সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করলে ব্যাপকভাবে সবজি চাষ করতে পারতেন বলে তিনি জানান। মির্জাপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে বলে জানান।
নিয়ে যাচ্ছে। আশরাফ এখন এলাকায় সুপরিচিত সবজি চাষী।
No comments:
Post a Comment